Kids Heat Awareness

আমরা অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে নুরন্নিসা ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে কেরানীগঞ্জে “Kids Heat Awareness” প্রোগ্রামটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। প্রায় একশত শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উপস্থিতিতে আমরা এই অনুষ্ঠানটি উদযাপন করেছি।
অনুষ্ঠানের শুরুতে আমাদের সম্মানিত স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যরা তাদের মূল্যবান বক্তব্য প্রদান করেন। বিশেষ করে ডা. ইমরান তার “Kids Heat Awareness” বিষয়ে প্রধান বক্তব্য প্রদান করেন, যা উপস্থিত সকলের মাঝে ব্যাপক প্রশংসিত হয়। ডা. ইমরান শিশুদের গ্রীষ্মকালে তাপ থেকে সুরক্ষিত রাখার বিভিন্ন উপায় নিয়ে আলোচনা করেন এবং সকলকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান।
অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে অর্গানিক শরবত, সিঙ্গারা, সমুচা এবং চকলেট বিতরণ করা হয়। শিশু এবং অভিভাবকগণ এই খাবারগুলো উপভোগ করেন এবং আমাদের এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন।
এই সফল প্রোগ্রামটি বাস্তবায়নে যারা সহযোগিতা করেছেন তাদের প্রতি আমরা আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। বিশেষ করে যারা উপস্থিত ছিলেন এবং আমাদেরকে সমর্থন করেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমরা আশা করি ভবিষ্যতেও এধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারব।
সবাইকে ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা
“নুরুন নিসা ফাউন্ডেশন – আমরা আছি আপনার পাশে”

ফিলিস্তিনের গাজাবাসীর জন্য ঔষধ প্রদান।

বাংলাদেশে নিযুক্ত ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রদূত “ইউসেফ এস.ওয়াই রামাদান” এর সাথে ফিলিস্তিনের গাজার সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা এবং প্রয়োজনীয় ঔষধ প্রদান ফিলিস্তিনের গাজাবাসীর জন্য।

তীব্র গরমে জনসচেতনতা মূলক আলোচনা ও শরবত বিতরণ

তীব্র তাপদাহে পুড়ছে সারা বাংলাদেশ, মাত্রাতিরিক্ত গরমের কারণে অসুস্থতা বাড়ছে প্রতিনিয়ত।
এই পরিস্থিতিতে জনসাধারণের করণীয় এবং বর্জনীয় নিয়ে খিলগাঁও সিপাহীবাগে নুরুন নিসা ফাউন্ডেশনের আয়োজন “তীব্র গরমে জনসচেতনতা মূলক আলোচনা ও শরবত বিতরণ

তীব্র গরমে জনসচেতনতা মূলক আলোচনা ও শরবত বিতরণ

তীব্র তাপদাহে পুড়ছে সারা বাংলাদেশ, মাত্রাতিরিক্ত গরমের কারণে অসুস্থতা বাড়ছে প্রতিনিয়ত।
এই পরিস্থিতিতে জনসাধারণের করণীয় এবং বর্জনীয় নিয়ে মেহেরপুর জেলার আমঝুপি ইউনিয়নের আমঝুপি আইডিয়াল স্কুল প্রাঙ্গন ও আমঝুপি বাজারে নুরুন নিসা ফাউন্ডেশনের আয়োজন “তীব্র গরমে জনসচেতনতা মূলক আলোচনা ও শরবত বিতরণ”

মাদকাসক্ত ব্যাক্তিকে নয় মাদককে ঘৃণা করুন।

এইতো কয়েকদিন হলো নবম শ্রেণীতে উঠেছে আসিফ। বেশ কিছু নতুন বন্ধু হয়েছে তার। স্কুল, কোচিং,আড্ডা ও খেলাধূলা সব কিছু ভালোই চলছিলো। হঠাৎ একদিন আসিফের এক বন্ধু আসিফকে সিগারেট অফার করে বসলো। প্রথমে আসিফ না করলেও, বন্ধুর জোরাজুরি এবং কৌতূহলবশত আসিফ গ্রহণ করলো বন্ধুর দেয়া সিগারেট। ১ বছর পার হয়েছে আসিফ এখন সিগারেটের পাশাপাশি অন্যান্য মাদকও গ্রহণ করে।
এলাকার সবচেয়ে নম্র ভদ্র ছেলেটার আচার ও ব্যবহারে এসেছে বিরাট পরিবর্তন। বাবা মায়ের সাথে খারাপ ব্যবহার, মাঝ রাতে বাসায় ফেরা, পড়াশোনায় অমনোযোগী এবং মাদকের টাকা জোগাড় করতে নিজ বাসায় চুরি।
আসিফের বাবা মায়ের কাছে সব কিছু যেন একটি দুঃস্বপ্নের মতো। তাদের একটিমাত্র সন্তান আজ বিপথে। স্বপ্ন ছিলো আসিফ বড়ো হয়ে মানুষের মতো মানুষ হবে, যা আজ দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে।
আসিফের মতো এরকম হাজার তরুণ তরুণী মাদকের সর্বনাশা কালো হাতের শিকার। তরুণ সমাজের মাদকাসক্তির কারণে একটি পরিবার, সমাজ ও সর্বোপরি রাষ্ট্র ধ্বংসের মুখে ধাবিত হয়।
আপনার সন্তান কোথায় যায়, কার সাথে মেশে, কি করে এগুলো খেয়াল রাখা আপনার দ্বায়িত্ব। মনে রাখবেন আপনার সন্তান ১ দিনে মাদকাসক্ত হয়ে যায় না। তাই পরিবার থেকে সন্তানদেরকে মাদকের বিরুদ্ধে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। সন্তানদেরকে জানাতে হবে মাদকের স্বাস্থ্য ঝুঁকি। তাদেরকে নিয়ে যেতে হবে মাদক বিরোধী কার্যক্রমে।
সুন্দর জীবন গড়তে একজন মানুষের ধর্মীয় শিক্ষার বিকল্প নেই, তাই আপনার সন্তানকে ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলুন, যা তাকে মাদক ও সকল খারাপ কর্মকান্ড থেকে দূরে রাখবে।
বাংলাদেশের মাদক পরিস্থিতি নিয়ে জাতিসংঘের একটি জরিপ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশে কমপক্ষে ৭০ লাখ মানুষ সরাসরি মাদকাসক্ত। এর মধ্যে ৮৬ শতাংশ পুরুষ ও ১৩ শতাংশ নারী। এক লাখেরও বেশি মানুষ নানাভাবে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। প্রভাবশালী ব্যক্তি থেকে শুরু করে নারী ও শিশু-কিশোররাও জড়িত মাদক ব্যবসার সঙ্গে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী দেশে মাদকাসক্তের সংখ্যা ৪৬ লাখ। আসক্তদের বেশির ভাগই তরুণ। অধিদপ্তরের জরিপে বলা হয়, আসক্তদের ৯১ শতাংশ কিশোর ও তরুণ। মাদকাসক্তদের ৪৫ শতাংশ বেকার ও ৬৫ শতাংশ আন্ডার গ্র্যাজুয়েট এবং ১৫ শতাংশ উচ্চশিক্ষিত। এদিকে ফ্যামিলি হেলথ ইন্টারন্যাশনালের পৃথক পরিসংখ্যান সূত্রে জানা যায়, দেশে সুই-সিরিঞ্জের মাধ্যমে মাদকসেবীর সংখ্যা প্রায় এক লাখ। এ মাদকাসক্তরা শিরায় মাদক গ্রহণ করায় এইচআইভি ঝুঁকির মধ্যে বেশি থাকে।
হুট করে কেউ যেমন একদিনে মাদকাসক্ত হয়ে যায় না, ঠিক তেমনি হুট করে একদিনে মাদকাসক্ত ব্যক্তিকে নিরাময় করা সম্ভব না। পরিবারের উচিৎ হবে মাদকাসক্ত ব্যক্তিকে একজন ভালো ডাক্তার দেখানো, তাকে ঘুরতে নিয়ে যাওয়া, বই পড়তে উৎসাহ দেয়া, খেলাধূলার সুযোগ দেয়া, বিভিন্ন সমাজ সেবামূলক কাজে যোগ দেয়ার সুযোগ করে দেয়া।
সর্বশেষ বলতে চাই “মাদকাসক্ত ব্যাক্তিকে নয় মাদককে ঘৃণা করুন”।